How to Write a Perfect Cover Letter in Upwork Or Freelancer

আপওয়ার্কে কাজ করার জন্য আপনাকে অবশ্যই কভার লেটার লিখে সেটি জব পোস্টে এপ্লাই করতে হবে যাতে করে আপনি আপনার দক্ষতা গুলো একজন ক্লায়েন্টকে বুঝিয়ে কাজ আদায় করতে পারেন।

কভার লেটার লিখার আগে আপনাকে অনেক গুলো ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে এবং সেই ব্যাপার গুলো পূর্ণ করতে হবে।

 

১) আপনার প্রোফাইল :

অবশ্যই আপনার প্রোফাইলটি স্পষ্ট হতে হবে, যা দেখে একজন ক্লায়েন্ট সহজেই বুঝতে পারবে যে আপনি কোন বিষয়টি নিয়ে এক্সপার্ট। অনেকেই দেখা যায় নতুন অ্যাকাউন্ট খুলে একাউন্ট এর মধ্যে ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক্স ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং আরো অনেক ধরনের সার্ভিস দেওয়ার চেষ্টা করেন যা একজন ক্লায়েন্টকে কনফিউজ করে যে আপনি কোন বিষয়টি নিয়ে আসলে এক্সপেরিয়েন্সড। তাই আপনার প্রোফাইল কি অবশ্যই যতটুকু সম্ভব স্পষ্ট এবং স্পেসিফিক রাখা উচিত যাতে করে একজন ক্লায়েন্ট খুব সহজে বুঝতে পারে যে আপনার দক্ষতা টা কোথায়।

 

২) একটি বিষয়ের উপর ভালোভাবে দক্ষতা অর্জন:

ধরুন আপনি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার মানে এই না যে আপনি যেকোনো কিছুই খুব দক্ষতার সাথে করে ফেলতে পারবেন গ্রাফিক ডিজাইন এর মধ্যে। গ্রাফিক্স ডিজাইন এর মধ্যে আপনাকে অবশ্যই একটি স্পেসিফিক কাজে দক্ষতা অর্জন করতে হবে যেমন ধরুন ট্রাইফোল্ড ব্রশিয়ার ডিজাইন, ইউ আই ইউ এক্স ডিজাইন অথবা প্রিন্টিং মেটেরিয়াল ডিজাইন, গ্রাফিক্স ডিজাইন এর মধ্যে আরও এমন অনেক ভাগ আছে যেখান থেকে আপনাকে যেকোন বিষয়ের উপর দক্ষতা অর্জন করে কাজ করতে হবে তাহলে ক্লায়েন্ট আরো সহজে আপনাকে অনুধাবন করতে পারবে যে আপনি কোন কাজটি নিয়ে বেশি পারদর্শী গ্রাফিক ডিজাইন এর মধ্যে।

ঠিক এভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং অথবা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এর কাজ গুলোকে আপনাদেরকে স্পেসিফিকভাবে প্রোফাইল তৈরি করতে হবে যেখানে ক্লায়েন্ট একটি প্রোফাইল পড়ার সাথে সাথে বুঝতে পারে যে ডিজিটাল মার্কেটিং অথবা ওয়েব ডেভলপমেন্টে আপনার দক্ষতা সবচেয়ে বেশি।

 

৩) একটি ভালো পোর্টফোলিও তৈরি করা:

অনেকেই হয়তো বা পোর্টফোলিও ব্যাপারটা বুঝেন না তাই আমি যতটুকু পারি কিছুটা গুছিয়ে বুঝানোর চেষ্টা করছি। কাজ করার সময় পোর্টফোলিও হচ্ছে আপনার বিগত কাজের বর্ণনা যেখানে একজন ক্লায়েন্ট বুঝতে পারবে যে আপনি আগে কি কি কাজ করেছেন এবং আপনার কাজের কোয়ালিটি কী?

তাই আপনি ঠিক যে বিষয়ের দক্ষতা অর্জন করেছেন ঠিক সেই বিষয় নিয়ে কিছু কাজ করুন এবং সেই কাজগুলো বিভিন্ন পোর্টফলিও আকারে তুলে ধরুন। পোর্টফোলিওর জন্য আপনি আপনার নিজের ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন যার সবচেয়ে ভালো হবে আর যদি চান আপনি অন্যান্য ওয়েবসাইটেও আপনার পোর্টফোলিও তৈরি করতে পারবেন যেমনঃ ফ্লিকার, ড্রিবল, পিন্টারেস্ট এবং আরো অনেক পোর্টফোলিও শো করার জন্য ওয়েবসাইট আছে বিভিন্ন টাইপের কাজের জন্য।

একটি ভালো পোর্টফোলিও আপনার ক্লায়েন্টকে আপনার কাজের দক্ষতা সম্পর্কে ৮০% পার্সেন্ট কনফিডেন্ট দেয় আপনাকে হায়ার করার জন্য।

 

৪) কভার লেটার লিখা:

কভার লেটার লেখার সময় অবশ্যই কভার লেটারটি অনেক বড় করতে পারবেন না কারণ ক্লায়েন্ট শুধু আপনার কভার লেটারটি পড়বে তখনই যখন আপনার কভার লেটারটি সংক্ষিপ্ত এবং গোছানো থাকবে। আমার এক ক্লায়েন্টের প্রোফাইলে গিয়ে আমি একটি জব পোস্ট করেছিলাম সেখানে এমনও দেখতে পেয়েছি যে সে তার জব করার যে বায়ো অথবা ছিভি  দেয় ঠিক সেটি দিয়ে দিয়েছে এবং সে বলেও দিয়েছে যে তার পরিবারে কয়জন লোক আছে এবং তার কয়টি বাচ্চা কাচ্চা আছে :D।

তাই আমি বলব অবশ্যই কভার লেটারে অতিরিক্ত কিছু লিখার দরকার পড়ে না কারণ আপনি ভেবে দেখুন যদি আপনি কভার লেটারটি অতিরিক্ত কিছু লিখেন যা ক্লায়েন্টের প্রয়োজন নেই তাহলে ক্লায়েন্ট তা পড়বে না এটা স্বাভাবিক সে অন্য কোন ফ্রিল্যান্সারকে হায়ার করে নিবে।

তাই কভার লেটারটি লিখার সময় অবশ্যই সংক্ষিপ্ত এবং স্পষ্ট ভাবে প্রথম দুই লাইনে তুলে ধরার চেষ্টা করবেন। তাহলে ক্লায়েন্ট খুব সহজেই বুঝতে পারবে যে আপনি তার জব পোস্টটি পড়েছেন এবং আপনি কি করতে হবে তা বুঝতে পেরেছেন।

 

৫) কভার লেটার কিভাবে সংক্ষিপ্ত এবং স্পষ্ট করবেন?

প্রথমে আপনাকে অবশ্যই ক্লায়েন্টের জব পোস্টটি ভাল করে পড়ে নিতে হবে তাহলেই আপনি খুব সহজেই বুঝতে পারবেন যে ক্লায়েন্ট আসলে কি চাচ্ছেন। অবশ্যই যদি ওই কাজের উপর আপনার দক্ষতা না থাকে তাহলে জব এপ্লাই না করায় আপনার জন্য ভালো। নতুন তারা কিছু না বুঝেই জব এপ্লাই করে যা থেকে আপনারা কাজ পান না তাই আগে দক্ষতা অথবা স্কিল ডেভেলপ করার চেষ্টা করুন তারপর কাজের এপ্লাই করুন।

যদি আপনি জব পোস্টে ভালোভাবে পড়েন তখন সেখানে ক্লায়েন্ট অবশ্যই তার ইম্পরট্যান্ট কাজটি সম্পর্কে লিখেছেন সেই ইম্পরট্যান্ট কাজটি আপনি আপনার কভার লেটার এ ২ অথবা ৩ ওয়ার্ডের মধ্যে সংক্ষিপ্ত ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করুন।

যেমন ধরুন I need to change my website background video in WordPress

তাহলে আপনাকে লিখতে হবে

Hi have a good day,

As a wordpress developer I can change your website background video.

Can we discuss more about this task? And I can also show my experience with past works also.

Thanks

এখানে দেখতে পাচ্ছেন যে আমি খুব ছোট করে সে যা লিখেছে তাই লিখে দেওয়ার চেষ্টা করেছি তাতে করে একজন ক্লায়েন্ট এর আপনার কভার লেটার এর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। আমার অভিজ্ঞতা অনুযায়ী যদি আমি এভাবে জব এপ্লাই করি তাহলে দশটি টি কাজের মধ্যে আটটি কাজেই ইন্টারভিউয়ের ইনভাইটেশন পাই আর আপনি যদি ইন্টারভিউ পেয়ে যান তাহলে আপনার ওই ক্লায়েন্টকে পাওয়া খুব সহজ হয়ে যায়।

ইন্টারভিউ এ আসার পর আপনার কি কি করা উচিত?

আপওয়ার্ক ইন্টারভিউ মানে আপনি রিয়েল লাইফে জব ইন্টারভিউ তে যেটাই ইন্টারভিউ দিয়ে থাকেন তা নয়।

যদি ক্লায়েন্ট আপনার কভার লেটার টি পড়ে এবং তার কাছে ভালো লাগে তাহলে আপনাকে খুবই সিলি কোশ্চেন করবে যা আপনি দেখলেই বুঝতে পারবেন তাই আপওয়ার্ক ইন্টারভিউ নিয়ে ঘাবড়ানোর কিছু নেই।

যখনই ক্লায়েন্ট আপনাকে ইন্টারভিউয়ের জন্য মেসেজ দিবে তখনই তার মেসেজের আনসার এর সাথে তাকে আপনার পোর্টফোলিও লিংক এবং আপনার এক্সপোর্ট অফিস গুলোর সংক্ষিপ্ত আকারে দিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করুন।

যদি কাজটি অনেক বড় হয়ে থাকে তাহলে ক্লায়েন্ট কে একটি ফ্রি স্যাম্পল কাজ করে আপনার দক্ষতা প্রমাণ করার সুযোগ করে দিন তাতে করে একজন ক্লায়েন্ট আপনাকে ভালোভাবে যাচাই করে কাজ দেবার কনফিডেন্ট পাবে।
এবং আপনি অন্যদের থেকে ক্লায়েন্টের কাছে বেশি গ্রহণযোগ্যতা পাবেন।

 

৬) ক্লায়েন্ট এর নাম বের করার চেষ্টা করুন:

যদি ক্লায়েন্টই আগে অনেকগুলো কাজ করিয়ে থাকে তাহলে তার প্রোফাইল এর রিভিউ সেকশনে দেখুন যে অন্যান্য ফ্রিল্যান্সাররা কি কি ফিডব্যাক দিয়েছে এবং সেই ফিডব্যাক এর মধ্যে তার নাম উল্লেখ করা আছে কিনা।

যদি তার নাম পেয়ে যান তাহলে সেই নামটি মেনশন করে কভার লেটার লেখার চেষ্টা করুন।

 

৭) কিভাবে কাজের অ্যামাউন্ট নির্ধারণ করবেন?

অবশ্যই আপনি আপনার নিজের একটি ন্যূনতম মূল্য ধার্য করে রাখবেন। নতুন অবস্থায় আপনার কাজের দক্ষতা অনুযায়ী আপনি ৫ থেকে ৭ ডলার প্রতি ঘন্টায় মূল্য নির্ধারণ করতে পারেন। তাই জবের ডেসক্রিপশন টি পড়ার পর আপনাকে পরিমাপ করতে হবে যে কাজটি করতে কত ঘন্টা সময় লাগবে এবং সেই ঘন্টা অনুযায়ী আপনার প্রতি ঘন্টার নির্ধারিত প্রতি ঘন্টার মূল্য গুন করে আপনাকে কাজের মূল্য ধারণ করতে হবে।

এখন কথা হচ্ছে যদি আপনি কোন ক্লায়েন্টের বাজেট অনুযায়ী কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে দেখতে হবে যে ক্লায়েন্ট আগে কি কি কাজ করিয়েছে এবং তার ম্যাক্সিমাম প্রাইস কত ছিল। তা দেখে আপনি ক্লায়েন্ট কত অ্যামাউন্ট কে আপনার সাথে রাজি করতে পারে তা ধারণা করতে পারবেন।

1 Comment

Post A Comment

name:

phone:

email:

skype:

address:

Interested course: